পলিথিন

Kazi Computer

পলিথিনের নিষিদ্ধ আদেশ থাকা সত্তেও বিভিন্ন কোম্পানী রঙ্গীন মোড়কে খাদ্য দ্রব্য বাজারে সরবরাহ করছে কিন্তু সরকার নিরব ভুমিকা পালন করছে। এর সাথে পন্যগুলোর গুনগত মান নিয়ে জনমনে সংসয় রয়েছে । ফলে আমরা ভোক্তারা যেমন হয়রানী সহ স্বাস্থ্য ঝুকিতে তেমনি পরিবেশের ঝুকি বাড়ছে। এ সকল পলিব্যাগ বা রকমারী প্যকেট আমাদের সুয়ারেজ বন্ধ সহ রাস্তাখাটের ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়ায় । পাশাপাশি জনগণ হয়রানীর স্বীকার। পলি প্যাকেটের ফলে সুয়ারেজ লাইনে জলাবদ্ধতা বর্ষা মৌশুমে জনগণ হয়রানীর কারণ হয়ে দাড়ায় । অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় এ সকল পলব্যাগ অন্তসার শুন্য যা দেখতে যা দেখায় ভিতরে তা নয় ফলে ভেক্তা প্রতিনিয়ত হয়রানীর স্বীকার । কোন কোন সময় ভোক্তা এবং বিক্রেতার বিবেধ ঘটায় এবং ভোক্তা কোম্পানীর মালিক বা প্রতিনিধির কাছে ক্ষতিপুর চাওয়ার অধিকার রাখে না বা এড়িয়ে যেতে বাধ্য হয় । ভোক্তা অধিকার অইনের মাধ্যমে এবিষয়ে সঠিক দেখাশুনার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্থার সঠিক তদারকী করা আবশ্যক থাকা স্বত্তেও সবাই দায়সারা ভঙ্গিতে কাজ কর্ম চালিয়ে আসছে। পূর্বে মানুষ…

View original post 87 more words

পলিথিন

পলিথিনের নিষিদ্ধ আদেশ থাকা সত্তেও বিভিন্ন কোম্পানী রঙ্গীন মোড়কে খাদ্য দ্রব্য বাজারে সরবরাহ করছে কিন্তু সরকার নিরব ভুমিকা পালন করছে। এর সাথে পন্যগুলোর গুনগত মান নিয়ে জনমনে সংসয় রয়েছে । ফলে আমরা ভোক্তারা যেমন হয়রানী সহ স্বাস্থ্য ঝুকিতে তেমনি পরিবেশের ঝুকি বাড়ছে। এ সকল পলিব্যাগ বা রকমারী প্যকেট আমাদের সুয়ারেজ বন্ধ সহ রাস্তাখাটের ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়ায় । পাশাপাশি জনগণ হয়রানীর স্বীকার। পলি প্যাকেটের ফলে সুয়ারেজ লাইনে জলাবদ্ধতা বর্ষা মৌশুমে জনগণ হয়রানীর কারণ হয়ে দাড়ায় । অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় এ সকল পলব্যাগ অন্তসার শুন্য যা দেখতে যা দেখায় ভিতরে তা নয় ফলে ভেক্তা প্রতিনিয়ত হয়রানীর স্বীকার । কোন কোন সময় ভোক্তা এবং বিক্রেতার বিবেধ ঘটায় এবং ভোক্তা কোম্পানীর মালিক বা প্রতিনিধির কাছে ক্ষতিপুর চাওয়ার অধিকার রাখে না বা এড়িয়ে যেতে বাধ্য হয় । ভোক্তা অধিকার অইনের মাধ্যমে এবিষয়ে সঠিক দেখাশুনার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্থার সঠিক তদারকী করা আবশ্যক থাকা স্বত্তেও সবাই দায়সারা ভঙ্গিতে কাজ কর্ম চালিয়ে আসছে। পূর্বে মানুষ খোলা পন্যে আগ্রহী হলেও বভিন্ন্ মিডিয়া হয়রানীর অযুহাতের মাধ্যমে প্যাকেটজাত পন্যে আকর্ষন বাড়িয়ে দেয় । কিন্তু তা কতটুকু সাফল দিয়েছে তা জনগণের মনে প্রশ্ন থাকে । আদৌ কি তা বলে তাই পালন করে না শুধুই ধোকা দিয়ে আসছে । কিছুদিন পূর্বে যে সকল পন্যের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত প্রশ্ন রেখেছিল তা বহাল তবিয়তে তাদের ব্যবসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে তবে কি এগুলো লোক দেখান বা অর্থ আয়ের একটি পন্থা । এ বিষয়ে জন সচেনতা একান্ত প্রয়োজন কারণ হয়ত কোন পন্যের দ্বারা আমাদের স্বাস্থের ক্ষতি সাধন হচ্ছে আমাদের অযান্তেই ।

ওষধী গাছ

ওষধী গাছের বিশাল প্রয়োজনীয়তা থাকা স্বত্তেও আমরা তাদের অবহেলা করি । আমাদের আশে পাশে লেক অথবা রাস্তার পাশে অথবা ডিভাডারে এ সকল গাছে ব্যবহার ও পরিচর্যা সকলের উপকার বয়ে আনতে পারে । আমরা সকলে মিলে হয়ত এ সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসতে পারি । নিম গাছ , তুলসি গাছ সহ এমন অনেক গাছ আছে যা আমাদের বিভিন্ন ঔষধ সেবন থেকে রক্ষা করতে পারে এবং কৃত্রিম ঔষধের মাধ্যমে স্বাস্থ ঝুকি সহ আর্থিক অপচয় থেকে রক্ষা করতে পারে । বিভিন্ন ঔষধ ব্যবসায়ী সফলতার কারনে আমরা এ সকল গাছের গুনের কথা ভুলে যেতে বসেছি অথচ এ সকল গাছের উপকারিতা অন্য যে কোন ঔষধের চেয়ে বহু গুন বেশী এবং আমাদের স্বাস্থ্য ঝুকি কমিয়ে আনতে সদা সাফল্য রাখছে । আমাদের পাঠ্য পুস্তকে ঔষধি গাছের ব্যবহার সম্মন্ধে জানানোর মাধ্যমে জনসচেনতা বৃদ্ধি এবং বৃক্ষ রোপন সহ পরিচর্যার মাধ্যমে সবার মাঝে সুফল পৌছানো যায় । আমাদের নিজেদের বাচার তাগিতে এর প্রচার ও প্রসার একান্ত প্রয়োজন ।